১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট স্বৈরাচার শেখ মুজিবের দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর দুঃশাসনে যখন জাতি অতিষ্ঠ তখনই ঘটে পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের ঘটনা। ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস কে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে উপস্থিত লেফট্যানেন্ট কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবদুর রশিদ, তারা দুইজনেই ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল।
তাদের মতে, "ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শেখ মুজিব দেশের স্বার্থের বিনিময়েও যেকোন ধরণের ক্ষতিকর কাজ করতে পারতো।"
সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিবের দুঃশাসন সম্পর্কে ফার ইস্টার্ন ইকনোমিক রিভিউ পত্রিকায় ১৯৭৪ সালে লরেন্স লিফশুলতজ লেখেন, সে সময় বাংলাদেশে "দুর্নীতি ও অনাচার এবং জাতীয় সম্পদের লুণ্ঠন" বিগত সময়ের সকল দুর্নীতির সীমা অতিক্রম করেছিল।
উল্লেখ্য, মুজিব হত্যার পর রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন শেখ মুজিবের সর্বশেষ মন্ত্রীসভার বাণিজ্য মন্ত্রী, বাকশালের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার মোশতাক আহমেদ। যিনি মুজিব হত্যাকারীদের জাতির সূর্যসন্তান বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।


