নিজেদেরকে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন দাবি করে, অথচ কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর(যদিও বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির নির্ধারিত দুই বছরের মেয়াদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হয়েছে।) নতুন কমিটি গঠনের জন্য মাদার পার্টির চেয়ারম্যানের করুণার অপেক্ষা করতে হয়!
কার সঙ্গে কত বড় নেতার যোগাযোগ, কে কতটা তোষামোদ করতে পারে, কমিটিতে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে সেটাই যেন যোগ্যতা। ঢাবিতে নিয়মিত বহিরাগতদের নিয়ে এসে দেওয়া হচ্ছে শোডাউন, যাদের বিরুদ্ধে ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং করার অভিযোগও উঠেছে সম্প্রতি।
গণতন্ত্রের কথা বলা সংগঠনের ভেতরেই যদি এমন আমলাতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলে, তাহলে শিক্ষার্থীদের জন্য তারা কী করবে?
নেতার পেছনে ঘোরা, স্লোগান দেওয়া, ভাড়াটে লোক দিয়ে মিছিল, চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি আর ক্ষমতা পাকাপোক্ত করাই যদি রাজনীতির উদ্দেশ্য হয়, তাহলে 'শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতি' সেখানে অসম্ভব।
দলীয় স্বৈরতন্ত্রের এই নোংরা ব্যবস্থার প্রতি ঘৃণা।


