যদিও তিনি এখনো জনগণের ভোটে নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি নন। গত উপজেলা নির্বাচনে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু তিনি ভোটে জয়লাভ করতে পারেননি।
হয়তো এই উপজেলার জনগণ তাদের যোগ্য নেতৃত্ব সিলেক্ট করতে অপারগ ছিলো, সেই সময়। কারণ, তার মতো নেতা পাওয়া এই উপজেলার জনগণের এক ধরনের সৌভাগ্যের ব্যাপার হতো বলে আমি মনে করি। একথা এজন্যই বল্লাম, কারণ একমাত্র এই মানুষটিকেই দেখেছি আমাদের উপজেলার সুখ-দুঃখ নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে৷ যেখানেই অন্যায় সেখানেই মতিন মোল্লার প্রতিবাদ৷ এই উপজেলার প্রতিটি উন্নয়নের দাবির মানববন্ধনের মধ্য মনি তিনিই। তার নেতৃত্বেই বেশিরভাগ মানববন্ধন পরিচালিত হয়ে থাকে। তার ডাকে সাড়া দেয় সর্বস্তরের মানুষ।
pexels-sora-shimazaki-5668494.jpgsrc
আমাদের উপজেলার কিছু অসাধু মানুষ অবৈধভাবে নদী খনন করে বালু তোলে, শুরু থেকেই "মতিন মোল্লা" নামের আড়ালে থাকা মানুষটি তাদের কাজে বাঁধা দিয়ে আসছে। তার বজ্র কন্ঠের প্রতিবাদে প্রশাসন সজাগ হয়ে অসাধু চক্রের আস্তানায় হানা দেয় মাঝে মাঝেই । মোটকথা, যখনি কোনো অসাধু চক্রের অসৎ চিন্তা আমাদের উপজেলার মানুষের ক্ষতি করতে চায় তখনই তাদের দুয়ারে পৌছে যায় "মতিন মোল্লা" নামক মানুষটির প্রতিবাদী চিঠি। তার প্রতিবাদী চিঠি পেয়ে ভড়কে যায় অসাধু চক্রের রাজত্ব। নড়েচড়ে বসে তারা।
pexels-dziana-hasanbekava-7063739.jpgsrc
তিনি একজন প্রগতিশীল চিন্তা ভাবনার মানুষ। একটি উন্নয়নশীল দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত নেতৃত্বের আসনে এই মানুষগুলোকেই বসার সুযোগ করে দেওয়া। কারণ, তাদের মতো মানুষদের হাতে নেতৃত্ব থাকলে তারা খুব কাছ থেকে জোড়ালোভাবে জনগণের সেবা করার সুযোগ পাবেন বলে আমি মনে করি। তাদের মতো মানুষদের নেতৃত্ব রুখতে সক্ষম হবে, সকল ধরনের দূর্নীতি। দমিয়ে যাবে মাদক ব্যবসা, নিরুৎসাহিত হবে ভূমিদস্যুদের অসাধু চক্র, উন্নত হবে পাড়া-মহল্লা, গ্রাম-শহর, সার্বিক উন্নয়নে উন্নত হবে দেশ। আর দেশের উন্নয়নে উন্নত হবে দেশের সর্বস্তরের জনগণ।
আমাদের ঘরের সন্তানগুলোকেও জনাব মতিন মোল্লা সাহেবের মতোই প্রগতিশীল চিন্তা ভাবনার অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা উচিত। যারা চিন্তা করবে না শুধু নিজ স্বার্থের, তারা চিন্তা করবে জাতীয় স্বার্থের। তবেই এদেশের সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়ন হবে বলে আমি মনে করি

Comments