১৯৭১ সালে পশ্চিম পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের উপর শোষণ অত্যাচার করতো তখন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তি সংগ্রামে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে আমরা মুক্তিযোদ্ধা বলে থাকি তাদের এই সংগ্রামের ফলে আজকের এই গণতন্ত্রের বাংলাদেশ গঠিত হয়েছে এবং বাংলাদেশের অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধারা বহু ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল যদিও পরে কিছু রাজাকারের শাস্তি হয়েছে সবার শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয় নাই। শুধুমাত্র ৭১ সালে যারা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছিল তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করা হয় বিষয়টা এমন নয় যারা বিভিন্ন ক্যাম্পে খাবার দিতে সহযোগিতা করেছিল বিভিন্নভাবে যারা মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত ছিল তাদের সবাইকেই মুক্তিযুদ্ধ হিসাবে গণ্য করা হয়।
আপনারা জানেন আবার অনেকে জানেননা ২-১ দিন আগে বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধাকে যেভাবে অপমান এবং লাঞ্চিত করা হয়েছে ঘটনাটির আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই যে ঘটনা টা ঘটলো এইটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে মনে করি। মুক্তিযুদ্ধের যে ঐতিহাসিক একটা সম্মান জনক অবস্থান ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সেগুলো সব এক কাজ ধারা ধ্বংস হয়েছে। যে মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান এবং লাঞ্চিত করা হয়েছে তিনি একজন বীর খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লায় ,একদল লোক তাকে রাস্তায় পেয়ে আটকিয়ে ফেলেন এবং তাকে প্রথমে বলা হয়েছে জোর করে যে আপনি কখনো মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করবেননা। তাকে প্রথমে সুন্দরভাবে কথা বলে বলা হয়েছে এই পরিচয় না দেয়ার জন্য তারা তাকে প্রথমে মরেও নাই কোনো অভদ্র ব্যবহার ও করেনাই যারা আটকিয়েছে তারা চাইলে ওই মুক্তিযোদ্ধাকে মারতে পারত কিন্তু তারা সেইটা করেনাই। তারা অতি ভদ্র ভাবে ওনাকে কোন আঘাত করেননি কিন্তু তারা যেইটা করল সেইটা হচ্ছে তারা ওনাকে একটি জুতার মালা পরিয়ে দিয়েছিল যা খুবই অভদ্র। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের যদি শাস্তি দেয়া না হয় তাহলে মুক্তিযোদ্ধকে অসম্মানিত করা হবে। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।



Comments