একজন ছাত্র সমন্বয়ক যিনি এখন বৈসম্মবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ সমন্বয়ক হয়েছেন। তা যদি হয়ে থাকে তাহলে এখন কেন তার এই রকম অভিযোগ সামনে আনা হলো প্রকাশিত করা হলো এবং একটি গোয়েন্দা সংস্থা কেন চাইছে তথ্য গুলো প্রকাশ করুক তারা কি ছাত্র সমন্বয়কদের উপর কোনো কারণে নাখোশ নাকি ব্যক্তিগত ভাবে জনাব রাফির উপর কোনো রকম কোনো সমস্যা আছে। আর এইটাকে প্রকাশ করার আগে এই ব্যাপারে সরকার কে বা আর কোন জায়গায় না জানিয়ে তাকে পাবলিকলি এনে হেনস্তা করা হয়ে থাকে যদি রিপোর্ট টি সত্যি হয়ে থাকে। আর যদি রিপোর্টই মিথ্যা হয়ে থাকে নিউজ পোর্টাল টি সরিয়েছেন এবং মিথ্যা দাবি করছেন তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে জাস্ট একজন প্রতিবেদক তারা যেইটা বলার চেষ্টা করেছেন প্রতিবেদক চেয়েছে তাই তার হাতে থাকা তথ্য দিয়ে এরকম একটা রিপোর্ট তৈরী করে ফেলতে পারবেন একটা মানুষকে নিয়ে এরকম একটা ভয়ংকর একটি তকমা তারা লাগিয়ে দিতে পেরেছেন তা ও এত সহজে। এইটাতে খুবই সিরিয়াসলি ভেরিফাই করার দরকার ছিল। কিন্তু এখানে যে তথ্য গুলো দেয়ার হয়েছে মনে হচ্ছে খুব সিরিয়াসলি ভেরিফাই করেই এগুলো দেয়া হয়েছে। তারা যদি ভেরিফাই না করে থাকেন তাহলে তারা এই নিউজ কিভাবে করলেন এবং তারা শুধু প্রতিবেদক কে দোষী করে দায় এড়াতে চাচ্ছেন। পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে তারা কি করছেন কিছুই বলছেননা এবং আরেকটা জিনিস প্রমাণিত হল এদেশের গোয়েন্দা সংস্থা গুলো রাজনীতির মাঠে যেমন ভূমিকা রাখার চেষ্টা করতো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতো আগের মত ঠিক একই চেষ্টা আবারো চালানো হচ্ছে। যদি নিউজটি সত্য হয়ে থাকে বা মিথ্যা হয়ে থাকে। কিন্তু এই নিউজ ধারা বুজাচ্ছে তারা ইনভল্ব আছে।



Comments