আমার পরিচয়ঃ আমি হাফেজ মাওলানা মোঃ হরিজুল ইসলাম জেলা সিরাজগঞ্জ সদর বর্তমান আমি একজন শিক্ষক পশ্চিম গজারিয়া দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার একজন শিক্ষক নিম্নে আমি আমার জীবন বৃত্তান্ত পেশ করলাম।
আমি যখন ছোট, আমার দাদু মরহুম নুর মোহাম্মদ শেখ, উনি আমাদের গজারিয়া গ্রামের বড় মসজিদের মোয়াজ্জেন ছিলেন, কোন বেতন ভিত্তিক মুয়াজ্জেন নয় ,তার জীবনটা তিনি নিয়ত করেছিলেন আমি আমার বাকি জীবনটুকু মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কাটিয়ে দিবেন ।
যখন তিনি মোয়াজ্জিন ছিলেন মসজিদে অনেক হাফেজ মাওলানা আসতো তাদের কথা শুনত এবং তাদেরকে ভালো লাগতো, তিনি একদিন নিয়ত করে ফেলেছিলেন আমার একটা দাদু ভাই আছে আল্লাহ চাইলে তাকে হাফেজ মাওলানা বানাবো তিনি মারা যাওয়ার আগে আমার বাবাকে ওসিয়ত করেছিলেন ,যে আমার একটা মাত্র নাতি তুমি তাকে হাফেজ মাওলানা বানাবে।
আমার বাবা দাদু মারা যাওয়ার পর তিনি দাদুর কথা রক্ষা করেন ,প্রথমে আমাকে গজারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ভর্তি করে দেন, তারপর আমি ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত সে জায়গায় পড়াশোনা করি ,আমার বয়স যখন 9 বছর বয়স তখন আমাকে বগুড়া জামিল মাদ্রাসা বগুড়া সেখানে ভর্তি করে দেন।
আলহামদুলিল্লাহ সেখানে মক্তব এবং হেফজ বিভাগ শেষ করলাম এরপর চর ছোন গাছা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল, আলিম ,ফাজিল, কামিল ,প্রথম প্রথম বিভাগে পাশ করলাম, আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি শিক্ষকতা করি ,আমাদের পাশের গ্রামে পশ্চিম গজারিয়া বলা হয়।
সেখানে একটা মাদ্রাসা করেছি সরকারি একটা প্রজেক্ট ,সেখানে হেড ইন চার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, আলহামদুলিল্লাহ এলাকার মানুষের সারা পেয়েছি মাদ্রাসায় তারা ছাত্র-ছাত্রী দিয়েছে এবং নিজেরা অর্থাৎ গ্রামবাসী জায়গা জমি এবং ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে।
কিন্তু এর ফাঁকে ফাঁকে আমার মনের শখ হিসাবে আমি একটা গরু ফার্ম করি ,আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শখ গরু পালন করা, আমার চারটা গরু আছে তার ভিতর দুইটা গাভী আর দুইটা বাচ্চা দুধ খাওয়া শেষ হয়েছে দুইটা গাভীর বাচ্চাকে বিক্রি করে দিয়েছি, এখন বর্তমান দুইটা গাভী প্রেগন্যান্ট অবস্থায় আছে ।
আলহামদুলিল্লাহ দুইটা গাভীর দুধ দহন করেছি প্রায় ২০ ২২ লিটার মত আলহামদুলিল্লাহ আশা করছি এবারও গাভী বিয়ানোর পর আলহামদুলিল্লাহ ২৪ বা ২৫ লিটারের মত হবে আশা করা যায়, আপনারা সবাই দোয়া করবেন আমার জীবনের সবটা যেন পূরণ হয়।






