জন্ম হোক যেথায়, কর্ম হোক ভালো।

alim236

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু।


প্রিয় সাথীবৃন্দ, আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর মহান দয়া এবং কৃপায় ভাল আছেন সুস্থ আছেন আমিও আপনাদের দোয়া এবং মহান আল্লাহতালার অশেষ মেহেরবানীতে ভালো আছি সুস্থ আছি।




মানুষের জন্ম কোথায় হবে, কোন পরিবারে হবে, ধনী না দরিদ্র পরিবারে হবে—এসব বিষয় মানুষের নিজের হাতে থাকে না। কেউ জন্মগ্রহণ করে প্রাসাদে, কেউ জন্মায় কুঁড়েঘরে। কেউ জন্ম থেকেই পায় অর্থ-সম্পদ, সুযোগ-সুবিধা ও সামাজিক মর্যাদা; আবার কেউ জন্মের পর থেকেই দারিদ্র্য, অভাব ও নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে সংগ্রাম করে। কিন্তু মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার জন্মস্থান, বংশ, সম্পদ কিংবা বাহ্যিক পরিচয়ে নয়; মানুষের আসল পরিচয় তার কর্মে, চরিত্রে ও মানুষের প্রতি আচরণে।

তাই বলা হয়—“জন্ম হোক যেথায়, কর্ম হোক ভালো।” অর্থাৎ পৃথিবীর যে স্থানেই আমাদের জন্ম হোক না কেন, আমাদের কাজ যেন ভালো হয়। আমাদের জীবন যেন অন্যের উপকারে আসে, সমাজের কল্যাণে আসে এবং মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে পারে।

জন্মস্থান মানুষের হাতে নয়

একজন মানুষ বাংলাদেশে জন্মাবে, না অন্য কোনো দেশে জন্মাবে—এটি তার নিজের সিদ্ধান্ত নয়। সে ধনী পরিবারে জন্মাবে, না দরিদ্র পরিবারে জন্মাবে, সেটিও তার হাতে নেই। কেউ শহরে জন্মায়, কেউ গ্রামে; কেউ শিক্ষিত পরিবারে জন্মায়, কেউ অশিক্ষিত পরিবারে। কিন্তু জন্মের এই পার্থক্য মানুষের মর্যাদার চূড়ান্ত মাপকাঠি হতে পারে না।

একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান কঠোর পরিশ্রম, সততা ও মেধার মাধ্যমে সমাজে সম্মান অর্জন করতে পারে। আবার বিপুল সম্পদের অধিকারী কোনো ব্যক্তি যদি অন্যায়, দুর্নীতি ও মানুষের ক্ষতি করার কাজে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার সম্পদ তাকে প্রকৃত সম্মান এনে দিতে পারে না।

সুতরাং জন্ম আমাদের পরিচয়ের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু কর্মই আমাদের মূল্য নির্ধারণ করে।

Comments